শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

গুলশানে আগুনের ঘটনায় নিহত যুবকের পরিচয় মিলেছে

রাজধানীর গুলশানে আগুন লাগা ভবনের সাত তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে মারা যাওয়া সেই যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতের নাম আনোয়ার হোসেন (৩০)। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ছোট ভাই জুলহাস হোসেন।

আনোয়ার হোসেন ভোলার দৌলতখানের দিদারুল্লা গ্রামের মো. নুর ইসলামের ছেলে। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। আনোয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ফাহিম সিনহার বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন।

নিহতের ভাই জুলহাস হোসেন বলেন, ‘আগুন লাগার পর আমার ভাই ওই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। পরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে এসে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করি। তিনি ওই ভবনের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ফাহিম সিনহার বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন।’

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, গুলশানের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার ছোট ভাই জুলহাস এসে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করেন।

এদিকে বিসিবির পরিচালক ফাহিম সিনহার স্ত্রী সায়মা রহমান সিনহা ১২তলার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সুইমিং পুলে পড়েন। তিনি আহত হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। সায়মা রহমান সিনহাসহ তিন জন শেখ হাসিনা বার্নে চিকিৎসাধীন।

উল্লেখ্য, রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটের দিকে গুলশান-২ নম্বরের ১০৪ নম্বর রোডের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারে যোগ দেন সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব ও স্বেচ্ছাসেবক সদস্যরাও। দীর্ঘ চার ঘণ্টা পর রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন লাগা ভবনের কয়েকটি ফ্লোর থেকে নারী শিশুসহ ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন ফায়ার ফাইটাররা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com